বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ডের পাঠ্যক্রমে বিজ্ঞান বিভাগে ১৩০০ নম্বরের একটি কাঠামো অনুসরণ করা হয়। এটি বিভ্রান্তিকর হতে পারে, কারণ অনেক শিক্ষার্থী মনে করে যে প্রতিটি বিষয়ে নির্দিষ্ট ১০০ নম্বর রয়েছে। আসলে, কিছু আবশ্যিক বিষয় (যেমন বাংলা/ইংরেজি) একত্রিত রাখা হয়েছে, আবার আইসিটির মতো কিছু বিষয়ের জন্য ঠিক ৫০ নম্বর বরাদ্দ রয়েছে।
বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ঝুঁকিটা অনেক বেশি। কলা বা ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের মতো নয়, বিজ্ঞান বিভাগের পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন এবং জীববিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলিতে একটি ব্যবহারিক অংশ থাকে যা মোট নম্বরের ২৫% জুড়ে থাকে। যদি আপনি ল্যাবে ভালো করতে ব্যর্থ হন, তবে তা আপনার পুরো তত্ত্বভিত্তিক প্রচেষ্টাকেই নষ্ট করে দিতে পারে।
তাছাড়া, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তির যোগ্যতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধু চূড়ান্ত জিপিএ-র পরিবর্তে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও গণিতে পাওয়া মূল নম্বরকেও বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়।
বাংলাদেশে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন আবশ্যিকভাবে নিতে হয়। তৃতীয় বা চতুর্থ ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে জীববিজ্ঞান ও উচ্চতর গণিতের মধ্যে কোনটি বেছে নেওয়া হবে, তা তাদের ভবিষ্যৎ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির সম্ভাব্যতা নির্ধারণ করে।
এসএসসি বিজ্ঞান বিভাগের নম্বর বিভাজন বিশ্লেষণ করার সময়, ঐচ্ছিক পত্রকে উপেক্ষা করা যায় না। এর অবদান গণনা করা হয় এভাবে: (মোট গ্রেড পয়েন্ট – ২.০০)। চূড়ান্ত স্বাভাবিকীকরণের আগে এই অতিরিক্ত পয়েন্টগুলো আপনার মোট জিপিএ-র সাথে যোগ করা হয়।

Recent Comments